এখানে আপনার জন্য একটি ব্লগ পোস্ট দেওয়া হলো:
—
## ১০ বছর পর আর্জেন্টিনার বর্ষসেরা ডি মারিয়া: এক অবিস্মরণীয় প্রত্যাবর্তন!
আর্জেন্টাইন ফুটবলে ফের একবার ঝলমলে এক সন্ধ্যা। তবে এবার বিশ্বকাপ জয়ের উল্লাস নয়, বরং দেশের ফুটবল অঙ্গনের এক কিংবদন্তিকে সম্মান জানানোর পালা। দীর্ঘ এক দশক পর আবারও আর্জেন্টিনার বর্ষসেরা ফুটবলারের সম্মাননা জিতে নিয়েছেন অভিজ্ঞ অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। ৩৭ বছর বয়সী এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের জন্য এটি যেন তার অসামান্য ধৈর্য, অবিচল নিষ্ঠা এবং খেলার প্রতি অগাধ ভালোবাসার এক উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি।
**কীভাবে নির্বাচিত হন বর্ষসেরা?**
আর্জেন্টিনার বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচন করা হয় দেশটির ক্রীড়া সাংবাদিকদের ভোটের মাধ্যমে। প্রতি বছর দেশের শীর্ষ ক্রীড়া সাংবাদিকরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী খেলোয়াড়কে ভোট দেন এবং সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত খেলোয়াড়ই এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতে নেন।
**প্রতিযোগিতায় কারা ছিলেন?**
২০২৫ সালে (যদিও পুরস্কার সাধারণত সদ্য সমাপ্ত বছরের জন্য দেওয়া হয়, আমরা এখানে প্রদত্ত তথ্য অনুসরণ করছি) এই দৌড়ে ডি মারিয়ার সঙ্গে ছিলেন ইন্টার মিলানের ধারালো স্ট্রাইকার লাউতারো মার্টিনেজ এবং রোমার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। দুজনই নিজ নিজ ক্লাবে এবং জাতীয় দলের হয়ে চমৎকার পারফর্ম করেছেন। কিন্তু শেষ হাসি হাসলেন ‘ফিদেল’ খ্যাত ডি মারিয়া। তার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স, মাঠে প্রভাব এবং দলের প্রতি তার অবিচল অঙ্গীকার সাংবাদিকদের মন জয় করে নেয়। ফলস্বরূপ, সর্বাধিক ভোট পেয়ে তিনি সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন।
**জমকালো অনুষ্ঠানে হাতে পুরস্কার**
দেশের ফুটবল অঙ্গনের গণ্যমান্য ব্যক্তি, সতীর্থ এবং শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতিতে জমকালো এক অনুষ্ঠানে ডি মারিয়ার হাতে তুলে দেওয়া হয় এই পুরস্কার। পুরস্কার গ্রহণ করার সময় ডি মারিয়ার চোখেমুখে ছিল তৃপ্তি ও বিনয়ের ছাপ। এমন এক সময়ে এসে এই পুরস্কার জয়, যখন তার ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে তিনি পা রেখেছেন, তা তাকে এক ভিন্ন মাত্রার আত্মবিশ্বাস জোগাবে নিঃসন্দেহে।
**এক দশক পর আবারও সেরা**
ডি মারিয়া এর আগে ২০১৩ সালে (যদি ২০২২ বা ২০২৩ সালের পুরস্কার হয়) এই সম্মাননা জিতেছিলেন। মাঝে লিওনেল মেসির একচ্ছত্র আধিপত্যের যুগেও নিজের স্থান ধরে রেখেছিলেন তিনি। দীর্ঘ এক দশক পর আবারও এই সম্মাননা জেতাটা তার ক্যারিয়ারের এক দারুণ মাইলফলক। বিশেষ করে, আর্জেন্টিনার জার্সিতে তার অবদান অনস্বীকার্য। কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ ফাইনালে তার গুরুত্বপূর্ণ গোলগুলো দেশের ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বয়স যেখানে অনেকের কাছে শুধু একটি সংখ্যা, সেখানে ডি মারিয়া প্রমাণ করলেন, পরিশ্রম, সংকল্প এবং ফুটবলের প্রতি নিবেদন থাকলে সাফল্যের শিখরে বারবার ওঠা যায়।
এই পুরস্কার শুধু ডি মারিয়ার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি সারা বিশ্বের তরুণ ফুটবলারদের জন্য এক অনুপ্রেরণা। দীর্ঘ এক দশক পর বর্ষসেরার মুকুট ফিরে পাওয়ার জন্য আর্জেন্টিনার এই লিজেন্ড অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারকে জানাই আমাদের আন্তরিক অভিনন্দন!
—



