স্ট্যাটাসে আলভী দাবি করেন, তার বাসার ড্রয়িং ও ডাইনিং রুমে একটি সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে, যার নিয়ন্ত্রণ ছিল কেবল তার স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার ফোনে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৫, ২৬ ও ২৭ তারিখ রাতে ইকরার কয়েকজন বন্ধু বাসায় এসেছিলেন এবং তারা গভীর রাত পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন। এ সময় তারা সিগারেট, গাঁজা ও মদ্যপান করেন বলেও দাবি করেন তিনি।
এছাড়া আগের রাতে মদ্যপান বা মাদকসেবনের বিষয়টি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে উঠে আসবে বলেও বিশ্বাস প্রকাশ করেন তিনি। আলভীর দাবি, ময়নাতদন্ত করার আগে একটি মহল এতে বাধা দেওয়ারও চেষ্টা করেছিল।
স্ট্যাটাসে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা পরকীয়ার অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে স্ত্রীর অতীত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আলভী। তিনি দাবি করেন, ২০১০ সালে পালিয়ে বিয়ে করার পর ইকরার পরিবার তাকে না জানিয়েই অন্যত্র তার বিয়ে দিয়েছিল। সেই সময় স্বামী বর্তমান থাকা অবস্থাতেই ইকরা ওই বিয়েতে সম্মতি দেন এবং বাসরও করেন বলে স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন তিনি। পরে ভুল বুঝতে পেরে ইকরা তার কাছে ফিরে এলে তাকে ক্ষমা করে মেনে নিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন আলভী।
স্ট্যাটাসের শেষদিকে নিজের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন এই অভিনেতা। তার দাবি, ওপর মহলের চাপ, ইকরার পরিবারের প্রতিশোধপরায়ণতা এবং সহকর্মীদের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে তার জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে।



