এই ধরনের দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে সাধারণত “প্যাসেঞ্জার ম্যানিফেস্ট” (Passenger Manifest) হলো বিমানে থাকা যাত্রী ও ক্রুদের আনুষ্ঠানিক তালিকা। এতে প্রত্যেকের নাম, দায়িত্ব ও কখনো কখনো জাতীয়তাও উল্লেখ থাকে। দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারী দল ও কর্তৃপক্ষ প্রথমেই এই তালিকা যাচাই করে নিশ্চিত হন—কতজন ছিলেন এবং কারা ছিলেন।
আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিমানে ছিলেন:
- ২ জন পাইলট (ক্যাপ্টেন ও কো-পাইলট)
- ১ জন রোগী
- ২ জন পরিচর্যাকারী (সম্ভবত রোগীর স্বজন বা নার্সিং সহকারী)
- ১ জন চিকিৎসক
- ১ জন প্যারামেডিক
এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সাধারণত গুরুতর অসুস্থ বা আহত রোগীকে দ্রুত এক শহর থেকে অন্য শহরে বা বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। এসব বিমানে চিকিৎসা সরঞ্জাম (ভেন্টিলেটর, অক্সিজেন সাপোর্ট, মনিটরিং সিস্টেম ইত্যাদি) থাকে এবং চিকিৎসক বা প্যারামেডিক ফ্লাইট চলাকালীন রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।
দুর্ঘটনার পর সাধারণত যে প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করা হয়:
- উদ্ধার ও শনাক্তকরণ কার্যক্রম
- বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তদন্ত
- ব্ল্যাক বক্স (ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার) উদ্ধার ও বিশ্লেষণ
- আবহাওয়া, যান্ত্রিক ত্রুটি বা মানবিক ভুল—সম্ভাব্য কারণ নির্ধারণ



