মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে পিলখানা হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। তাঁর মতে, এই ঘটনা শুধু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য নয়, বরং দেশের জাতীয় নিরাপত্তা, সামরিক শৃঙ্খলা এবং রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার ওপরও গভীর প্রভাব ফেলেছিল। তিনি দাবি করেন, এই ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন ছিল এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ ও পেছনের শক্তিগুলো জনসমক্ষে আনা উচিত ছিল।
২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে সংঘটিত এই ঘটনায় তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) সদরদপ্তরে বিদ্রোহ ও সহিংসতা ঘটে, যেখানে বহু সেনা কর্মকর্তাসহ বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি হয়। এই হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে শোকের ছায়া ফেলেছিল এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কাঠামো পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে বিডিআরকে পুনর্গঠন করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নাম দেওয়া হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন সময় বিতর্ক উঠেছে এবং অনেকেই মনে করেন ঘটনার পেছনের মূল পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছ তদন্ত প্রয়োজন। সরকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার করা হয়েছে, তবে বিরোধী রাজনৈতিক মহল থেকে দাবি করা হয় যে আরও গভীর তদন্ত হওয়া উচিত ছিল। সামগ্রিকভাবে, এই ঘটনা বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাসে একটি বড় ট্র্যাজেডি হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার সংস্কার জরুরি বলে বিশেষজ্ঞরা মত দেন।


