## গুরুত্বপূর্ণ আমীর পদে শপথ নেওয়ার মুহূর্তে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ডা. শফিকুর
**ঢাকা, [আজকের তারিখ]:** সম্প্রতি এক আবেগঘন দৃশ্যের সাক্ষী হলো রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তন। গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজনৈতিক দলের আমীর পদে শপথ নেওয়ার মুহূর্তে কান্নায় ভেঙে পড়লেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও চিকিৎসক ডা. শফিকুর রহমান। তার এই অশ্রুসিক্ত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান উপস্থিত সকলের মনে এক গভীর দাগ কেটে যায়।
**আবেগাপ্লুত পরিবেশে শপথ গ্রহণ**
এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে এক অনাড়ম্বর অথচ গুরুগম্ভীর পরিবেশে নতুন কার্যকাল ২০২৬–২০২৮-এর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ডা. শফিকুর রহমান। যখন তাকে শপথ বাক্য পাঠ করানো হচ্ছিল, তখন দেখা যায় তিনি নিজেকে আর ধরে রাখতে পারছেন না। দায়িত্বের গুরুভার, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, এবং দলের দীর্ঘদিনের সংগ্রাম ও ভবিষ্যতের ভাবনা হয়তো তাকে এমনভাবে আবেগাপ্লুত করে তুলেছিল যে, তার চোখ থেকে অঝোরে ঝরছিল অশ্রুধারা। এই দৃশ্য কেবল উপস্থিত নেতাদের নয়, সংবাদকর্মীদেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
**দায়িত্ব ও শপথ বাক্য পাঠ**
ডা. শফিকুর রহমানকে শপথ বাক্য পাঠ করান দলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মা’ছুম। নতুন আমীরের এই অশ্রুসিক্ত শপথ যেন গুরুদায়িত্বের প্রতি তার গভীর সংকল্প ও নিষ্ঠারই প্রতিচ্ছবি ছিল।
**উপস্থিত ছিলেন শীর্ষ নেতৃত্ব**
এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ এবং নির্বাহী পরিষদের সদস্যরাসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সকলেই নতুন আমীরকে স্বাগত জানান এবং তার প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন। তাদের সামনেই ডা. শফিকুরের আবেগাপ্লুত হয়ে পড়া ঘটনাটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং গণমাধ্যমে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।
**পূর্ব ঘোষণা ও কার্যকালের সূচনা**
উল্লেখ্য, এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, নতুন কার্যকাল শুরুর অংশ হিসেবে এই শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। সেই ঘোষণা অনুযায়ীই এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানটি সুসম্পন্ন হয়, যা ডা. শফিকুর রহমানের অশ্রুসিক্ত শপথ গ্রহণের মাধ্যমে এক ভিন্ন মাত্রা লাভ করে।
দায়িত্বের গুরুভার এবং এর বিশালতা একজন অভিজ্ঞ নেতার চোখেও কীভাবে জল এনে দিতে পারে, ডা. শফিকুর রহমানের এই ঘটনা তারই প্রমাণ। আশা করা যায়, এই আবেগ ও নিষ্ঠা তাকে তার নতুন কার্যকালে গুরুদায়িত্ব পালনে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে এবং দলের কর্মীদের মাঝেও নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে।



